1. admin@newskachua.com : newskachua.com :
  2. mohsinjournalist3@gmail.com : moshin hossain : moshin hossain
  3. rasel@newskachua.com : news kachua : news kachua
  4. shujan@newskachua.com : news chua : news chua
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পাসপোর্ট অফিসে দালালের দুষ্টচক্র বাংলার আনাছে-কানাছে ছেয়ে গিয়েছে ট্র্যাভেল এজেন্সির কচুয়ায় ৭০ পিস ইয়াবা সহ দুই ব্যবসায়ী গ্রেফতার কচুয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত- ১, থানায় অভিযোগ কচুয়ায় মারামারি মামলা ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন গ্রেফতার কচুয়ার পৌর আ.লীগের সাধারন সম্পাদকের পিতা আর নেই! দাফন সম্পন্ন করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন কচুয়া দুই ওসি কচুয়ায় রহমত উল্যাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কচুয়ায় বোরো ধানে স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা বিএনপি নেতা অ্যাড. মুজাম্মেল হোসেনের ইন্তেকাল করোনা মোকাবেলায় ওসি শাহজাহান কামালের ভূমিকা প্রশংসানীয়

জীবনযুদ্ধে হার মানতে নারাজ প্রতিবন্ধী মাজহারুল ইসলাম

নিউজ কচুয়া
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ কচুয়া

জীবনযুদ্ধে হার মানতে নারাজ প্রতিবন্ধী মাজহারুল ইসলাম। দুই হাত ও দুই পায়ের স্বাভাবিকতা হারিয়েছেন জন্ম থেকেই। তবুও দমে যাননি কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের অভয়পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মোল্লার ছেলে মাজহারুল ইসলাম (২৮)। জীবনযুদ্ধে টিকে থাকতে মোবাইল সার্ভিসিং কাজকে বেছে নিয়েছেন জন্ম থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী মাজহারুল ইসলাম। তার নামেই রাখা হয়েছে ‘মাজহারুল মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার’। অস্বাভাবিক হলেও এটাই তার স্বাভাবিক জীবন। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে সে তৃতীয়। বড় ভাই নাজমুল হাসান শারফিন বিয়ে করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আলাদা সংসারে থাকেন। বাবা জীবিত থাকাবস্থায় বড় বোন নাছরিন, ছোট বোন মৌসুমি ও মুন্নিকে বিয়ে দিয়ে যান। ছোট বোন মাহমুদা (১৯) সাচার কলেজে অধ্যয়নরত। অভাবের সংসার হওয়ায় পড়াশোনার তেমন সুযোগ হয়ে উঠেনি মাজহারুলের। তারপরও স্থানীয় অভয়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। সংসারে অভাব-অনটনের কারণে বন্ধ করে দিতে হয়েছে পড়াশোনা। এরপর সংসারের হাল ধরেছেন। কয়েক বছর পূর্বে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে সংসার ছেড়ে চলে যান স্ত্রী।

দীর্ঘদিন একটি প্রতিবন্ধী কার্ডের জন্যে এলাকার মেম্বার, চেয়ারম্যান ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসে ঘুরে আশা ছেড়ে দেন মাজহারুল ইসলাম। পরে সিদ্ধান্ত নেন কারো কাছে হাত না পেতে নিজ এলাকায় রাস্তার পাশেই ছোট্ট একটি দোকান দিয়ে মোবাইল সার্ভিসিং, মোবাইল রিচার্জ ও ইলেক্ট্রনিক যাবতীয় খুটিনাটি কাজ করবেন। এ সিদ্ধান্তেই তিনি হয়ে যান স্বাবলম্বী। প্রতিদিন প্রায় ৫শ’ থেকে ৮শ’ টাকার মতো বেচা-বিক্রি হয়। লাভের অংশটা পরিবারের কাজেই খরচ করতে হয়। মাজহারুল তার অস্বাভাবিক হাত ও পা গুলোকে মানিয়ে নিয়েছেন স্বাভাবিক যন্ত্রগুলোর সাথে। শুধু তাই নয়, তার অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি ইলেক্ট্রনিক কাজের পাশাপাশি নিখুঁতভাবে করছেন ফটোশপের কাজও। তার এই আঁকাবাঁকা হাতগুলোই এখন পরিবারের একমাত্র চালিকাশক্তি। বাবা মারা যাওয়ায় পরিবারের দৈনিক খরচ জোগাতে ছোট্ট দোকানটির উপার্জিত আয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। বর্তমানে মা ও ছোট বোনকে নিয়ে অভাবের সংসারে আছেন মাজহারুল ইসলাম।

সরজমিনে গেলে মাজহারুল ইসলাম জানান, অসচ্ছল সংসারে তিনি এই ছোট্ট দোকানটির উপার্জিত অর্থ দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছেন কোনো রকম। জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী হয়েও এখনো মিলেনি কোনো প্রতিবন্ধী ভাতা কিংবা সরকার থেকে অন্য কোনো সহায়তা। নিজের কাজ করার ইচ্ছাশক্তি থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত যন্ত্রাংশ ও অর্থাভাবে পড়ছেন পিছিয়ে। তাই সরকারি কিংবা বেসরকারি একটু সহায়তা পেলে তিনি দোকানটির কর্মপরিধি বৃদ্ধির পাশাপাশি মা-বোনকে নিয়ে একটু ভালোভাবে চলতে পারতেন।

মাজহারুল ইসলামের মা নিলুফা বেগম বলেন, আমার ছেলে মাজহারুল ইসলাম জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী হয়েও প্রতিবন্ধী ভাতা পায়নি। সরকার যদি আমার অসহায় প্রতিবন্ধী ছেলেকে কোনো ধরনের আর্থিক সহযোগিতা করতেন তাহলে ভালোভাবে ছোট্ট দোকানটিতে মালামাল তুলে কোনোভাবে বাকি জীবন পার করে দিতে পারতো।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায় : মাল্টিকেয়ার

প্রকাশিত/প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র,ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।